• ABOUT
  • CONTACT
  • PRIVACY
  • SITEMAP
  • OTHER
Techs.CF
Menu
  • HOME
  • BLOGING
  • WIDGETS
  • ANDROID
    • Sub-Menu 1
    • Sub-Menu 2
      • Sub Sub-Menu 1
      • Sub Sub-Menu 2
      • Sub Sub-Menu 3
      • Sub Sub-Menu 4
      • Sub Sub-Menu 5
    • Sub-Menu 3
      • Sub Sub-Menu 1
      • Sub Sub-Menu 2
      • Sub Sub-Menu 3
      • Sub Sub-Menu 4
      • Sub Sub-Menu 5
  • EARNING
  • CATEGORIES
    • Sub-Menu 1
    • Sub-Menu 2
      • Sub Sub-Menu 1
      • Sub Sub-Menu 2
      • Sub Sub-Menu 3
      • Sub Sub-Menu 4
      • Sub Sub-Menu 5
    • Sub-Menu 3
      • Sub Sub-Menu 1
      • Sub Sub-Menu 2
      • Sub Sub-Menu 3
      • Sub Sub-Menu 4
      • Sub Sub-Menu 5
  • TOOLS

♠ নোটিশ ♠

স্বাগতম ! আমাদের Techs.CF এ চাইলে আপনিও পোষ্ট করতে পারেন, কোনো রকম একাউন্ট খোলা ছাড়াই। তবে সেটা অবশ্যই টেক বিষয়ক হতে হবে এবং সম্পূর্ণ পোস্ট বাংলায় লিখতে হবে। কোনো রকমের স্পাম কিংবা কপি-পেস্ট করা যাবে না। রেফারমূলক পোস্ট থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে। ফেসবুক পেজ লাইক, ইউটিউব সাবস্ক্রাইবার/ভিউ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে পোস্ট করা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে। তবে আপনার পেজ/চ্যানেল লিংক পোস্ট এর নিচে দিতে পারবেন। আপনি পোস্ট করার পর তা পেন্ডিং-এ থাকবে, অতঃপর এডমিনগণ তা রিভিউ করে পাবলিশ করে দিবে। তাই এক-ই পোস্ট একাধিকবার করলে একটাও পাবলিশ হবে না।

ইমেইল সেন্ডিং এর মাধ্যমে পোস্ট করার নিয়মাবলী -

1. Recipient (অর্থাৎ যাকে ইমেইল পাঠাবেন সেই ইমেইল ঠিকানা) এর যায়গায় দিবেন: TechsDotCF.Public@Blogger.Com

2. Subject এর যায়গায় দিবেন: আপনার পোস্ট এর টাইটেল।

3. Message এর যায়গায় দিবেন: আপনার সম্পূর্ণ পোস্ট । এবং হেশ (#) টেগ এর মাধ্যমে মূল পোস্টের শুরুতেই Category লিখে দিবেন। (Ex: #Online_Earn)

4. সম্পূর্ণ পোস্ট লিখার পর পোস্ট এর নিচে আপনার নাম ঠিকানা ইত্যাদি লিখে দিবেন।

5. এবার আপনার পোস্ট Send করে দিন ।

________________________________________

ইনকাম করুন সবচেয়ে সহজ উপায়ে, মোবাইল দিয়ে। শুধুমাত্র সার্চ করে...😱

  Muhammad Foyzullah     শুক্রবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৮     Online Earn      No comments   
ইনকাম করবেন !!! ইনকাম !!! সবাই চায় ইনকাম করতে, বলে: ভাই..!! একেবারে সহজ উপায়ে ইনকাম করার একটা টিপস দেন। যাতে মোবাইল দিয়েই সহজে ইনকাম করা যায়। আমি বলি কি ! ইনকাম করতে হলে ধৈর্য ধরতে হবে অনেক পরিশ্রমী হতে হবে। না ভাই সহজ উপায়ে, একেবারে সহজ উপায়ে মোবাইল দিয়ে অল্প কিছু ইনকাম যাতে করতে পারি....!

যাক ! অনেক বকবক নামক কিছু একটা করলাম। এখন মূল কথাটা বলে ফেলি।
ওয়েবসাইটটির নাম Presearch.Org এটি একটি সার্চ করার ওয়েবসাইট। এই ওয়েবসাইট দিয়ে আপনি গুগল, ফেসবুক, টুইটার, উইকিপিডিয়া, গুডাড্ডে, লিংকডিনসহ অনেক ওয়েবসাইটে সার্চ করতে পারবেন । আর একটি সার্চ করলেই আপনি পাবেন ০.২৫ কয়েন, তারমানে আপনি ৪টি সার্চ করলেই পাবেন ১ কয়েন। ৩০ কয়েন= ১ ডলার...😱😱😱 আসলেই অবাক করার বিষয়। ১০০০ কয়েন= ৩০ ডলার হলেই আপনি উইথড্রো করতে পারবেন। ১০০০ কয়েন করা কোনো ব্যাপার না। আপনি সাভাবিকভাবে ১ সপ্তাহেই ১০০০ কয়েন করতে পারবেন। যা বাংলাদেশী টাকায় হিসেব করলে হবে= (৳২৫১৫) আড়াই হাজার টাকার ও বেশি। আপনি কি সার্চ করলেন সেটা ওয়েবসাইট দেখবে না যা মনে চায় তাই সার্চ করতে পারবেন। আমরা সারাদিন কতকিছুই তো সার্চ করি, তো এখানে গিয়ে সার্চ করলে তো আপনি কিছু ইনকাম করতে পারেন। যদি আপনি কারো রেফারে জয়েন করেন তাহলে আপনি পাবেন ২৫ কয়েন, কিন্তু যার রেফারে জয়েন করবেন সে তখন কিছুই পাবে না। আপনার ১০০ কয়েন ইনকাম হওয়ার পর সে ২৫ কয়েন পাবে। তাই রেফার করে ইনকাম করা যাবে না বললেই চলে। ওওও তাহলে আর দেরি করাবো না আপনাদের, চলুন ইনকাম শুরু করে দেই....✈✈✈ এখানে গিয়ে একাউন্ট করে নিন। ২৫ কয়েন ফ্রি পেতে আমার রেফারে জয়েন করুন।   ↓↓↓↓↓


  <a href="https://www.presearch.org/signup?rid=981318" target="_blank">
  <img src="https://www.presearch.org/images/rf/ban-4.jpg" title="Presearch" alt="presearch" />
</a>
Read More

WordPress.Com এবং WordPress.Org এর মধ্যে পার্থক্য কি?

  Muhammad Foyzullah     রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮     Website Learn      No comments   
ব্লগিং ক্যারিয়ারে পা রাখার পূর্বে সবাই একটি সাধারণ প্রশ্নের সম্মুখিন হন যে, আমি WordPress দিয়ে ব্লগিং শুরু করব নাকি Google Blogger দিয়ে শুরু করব? তখন অনেকে পরামর্শ দেন WordPress দিয়ে শুরু করার জন্য আবার অনেকে Google Blogger দিয়ে ব্লগিং শুরু করার পরামর্শ দেন। যার ফলে দেখা যায় দু টানা পরামর্শের কারনে নবীন ব্লগাররা সঠিক সিদ্ধান্তে পৌছতে পারেন না। আমরা এ প্রশ্নগুলির সঠিক এবং পরিপূর্ণ সুস্পষ্ট সমাধান দেয়ার চেষ্টা করব। তবে Blogger দিয়ে নাকি WordPress দিয়ে ব্লগিং শুরু করবেন সে বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা নেয়ার পূর্বে WordPress.Com এবং WordPress.Org এই দুই এর মধ্যে পার্থক্য কি সেটি ভালভাবে জেনে নিতে হবে। আমরা আজকের পোষ্টে WordPress.Com এবং WordPress.Org এর মধ্যে পার্থক্য ও সুবিধা-অসুবিধার বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করব এবং আগামী পোষ্টে Blogger নাকি WordPress কোনটি আপনার জন্য Perfect তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।



WordPress.Com এবং WordPress.Org যদিও বিষয়টি শুনতে আপাত দৃষ্টিতে এক মনে হচ্ছে, কিন্তু দুটির মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। এ দুটি বিষয় নিয়ে লিখার পূর্বে একটি কথা সংক্ষেপে বলে রাখছি যে, WordPress.Com হচ্ছে WordPress এর একটি ফ্রি বেসিক ভার্সন। এটি আপনি সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে ব্যবহার করতে পারবেন। অন্যদিকে WordPress.Org হচ্ছে WordPress এর পরিপূর্ণ প্রফেশনাল ভার্সন, যেটি আপনাকে টাকার বিনিময়ে হোস্টিং কিনে নিয়ে ব্যবহার করতে হবে। এটির পরিপূর্ণ কন্ট্রল এবং দায় আপনাকে নিজেই বহন করতে হবে।

 WordPress.Com এর সুবিধা

এখানে আপনাকে সর্বোচ্ছ 3GB পর্যন্ত Space ফ্রি দেয়া হবে। তবে এই 3GB পূর্ণ হওয়ার পর আপনার প্রয়োজনানুসারে জায়গা কিনে নিতে হবে।

তারা নিয়মিত আপনার সাইট Backup করবে। এ নিয়ে আপনাকে কোন চিন্তা করতে হবে না।

 WordPress.Com এর অসুবিধা

আপনার ব্লগে তাদের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিজ্ঞাপন শো করবে। এ ক্ষেত্রে আপনি যদি বিজ্ঞাপনগুলি সরাতে চান তাহলে টাকা পরিশোধ করতে হবে।

আপনার ব্লগে প্রতি মাসে ২৫,০০০ এর বেশী Page View না পাওয়া অবধি নিজের পছন্দমত কোন ধরনের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করতে পারবেন না। তারপর যদিও আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপন ব্যবহার করতে দেবে কিন্তু আপনার বিজ্ঞাপন হতে আয়ের ৫০% তাদের দিতে হবে।

এটিতে আপনি কোন ধরনের Plugins ব্যবহার করতে পারবেন না। আর আপনি নিশ্চয় অবগত আছে যে, WordPress এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে বিভিন্ন Plugins.

আপনি ইচ্ছে করলেও এটিতে কোন প্রকার Custom Theme ব্যবহার করতে পারবেন না। এ ক্ষেত্রে আপনার ব্লগকে প্রফেশনাল Look দিতে বড় অসুবিধার মধ্যে পড়তে হবে।

এটিতে কোন প্রকার Custom Analytics Software ব্যবহার করতে পারবেন না। কারণ এটি আপনাকে কোন Custom Code ব্যবহার করতে দেবে না।

আপনি যদি তাদের Term of Service এর কোন প্রকার নিয়ম ভঙ্গ করে কোন কাজ করেন, তাহলে যে কোন সময় আপনার সাইটটি ডিলিট করে দিতে পারে।

আপনার কোন প্রকার অনুমতি ছাড়াই সাইটের Theme পরিবর্তন করতে পারে। কারণ এই Theme গুলি Full Control থাকে Developer দের হাতে।

আপনার Themes এর Upgrade এর সুবিধা ভোগ করার ক্ষেত্রে টাকা পরিশোধ করতে হবে। তাহলেই কেবল Themes Upgrade করার সুযোগ দেবে।

 WordPress.Org এর সুবিধা

এটির Full Control আপনার হাতে থাকবে। সকল প্রকার ডাটার মালিক কেবল আপনি থাকবেন। এটি বন্ধ বা চালু রাখা সম্পূর্ণ আপনার নিজের উপর ডিপেন্ড করবে। আপনার কোন বিষয়ে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।

সবকিছু আপলোড এবং হাজার হাজার Plugins ব্যবহার করতে পারবেন।

সকল ধরনের Custom Theme Install ও আপনার পছন্দমত Modify করতে পারবেন।

কোন ধরনের সমস্যা ছাড়াই যে কোন সময় আপনার Hosting অন্যত্র পরিবর্তন করতে পারবেন।

আপনার পছন্দমত যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে অনলাইন হতে আয় করতে পারবেন।

Custom Analytics এবং Tracking ব্যবহার করতে কোন অসুবিধা হবে না।

  WordPress.Org এর অসুবিধা

অন্য আরো সাধারন ওয়েবসাইটেরমত ভালমানের Hosting কিনে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে আপনাকে মাসিক ০৩-০৮ ডলার গুনতে হবে।

সকল প্রকার Upgrade এর জন্য আপনি নিজেই দায়ি থাকবেন।

ডাটা Backup এর দায়বদ্ধতাও আপনাকে বহন করতে হবে।

কোন প্রকার Spamming বা Virus এর আক্রমন থেকে রক্ষা করার জন্য আপনাকে সদা-সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। তা না হলে যে কোন সময় আপনার ওয়েব ক্ষতির সম্মুখিন হতে পারে।

 আপনার কোনটি ব্যবহার করা উচিত?

আপনি যদি সাধারণভাবে অনলাইন হতে কোন টাকা পয়সা আয় করার চিন্তা না করে শুধুমাত্র একটি ব্যক্তিগত ব্লগ হিসেবে ব্যবহার করতে চান, তাহলে অনায়াসে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে WordPress.Com ব্যবহার করতে পারেন। তবে ব্লগিংকে যদি আপনি ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চান কিংবা ব্লগিং করে অনলাইন হতে টাকা আয় করতে চান, তাহলে অবশ্যই আমি সবাইকে বলব কিছু টাকার বিনিময়ে হলেও WordPress.Org ব্যবহার করবেন। তাপরও যদি আপনি ভাবেন দুটির কোনটি ব্যবহার করবেন তাহলে বিষয়টি নিত্যান্ত আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার।
Read More

Google AdSense আয় বৃদ্ধি করার ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ Tips ।

  Muhammad Foyzullah     রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮     Online Earn      No comments   



অন-লাইন থেকে আয় করার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে Google Adsense এবং Adsense এর সকল নিয়ম সঠিকভাবে অনুসরণ করে সবচাইতে সহজে আয় করার উপায়ও বটে। আপনি যদি Google Adsense এর সকল Guideline অনুসরণ করে ব্লগিং করেন তাহলে খুব সহজেই Adsense Approved করে সঠিকভাবে বিজ্ঞাপন শো করিয়ে আপনার ব্লগ থেকে অনেক ভালমানের টাকা উপার্জন করতে সক্ষম হবেন।



অনেকে দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফলে যদিও Google Adsense অনুমোদন করতে সক্ষম হন কিন্তু আয় বৃদ্ধি করতে না পেরে হতাশ হয়ে পড়েন। যার ফলে কিছু লোক Google Adsense ব্যবহার করার বিপক্ষে সাপোর্ট দেন। আসলে এ রকম ধারনা করা মোটেও ঠিক নয়। Google Adsense আয় বৃদ্ধি না হওয়ার প্রধান কারন হচ্ছে এর সঠিক ব্যবহার করতে না পারা। আপনি যদি সঠিকভাবে ঠিক জায়গায় Google Adsense বিজ্ঞাপন বসিয়ে নিয়মানুসারে ব্যবহার করতে পারেন তাহলে খুব সহজে আপনার ব্লগ হতে ভালো মানের এমাউন্ট অর্জন করতে পারবেন। নিচের সবগুলি টিপস যদি সঠিকভাবে অনুসরণ করেন তাহলে Google Adsense আয় বৃদ্ধি পাবেই।


 ০১. Google Adsense Policy অনুসরণঃ

বেশীরভাগ পাবলিশাররা এ বিষয়টি নিয়ে কখনও ভাবেন না। তারা মনে করেন এটি ব্লগের ক্ষেত্রে তেমন কোন প্রভাব ফেলবে না। Google Adsense এ আবেদন করার আগে ও কোড বসানোর পরে তাদের পরিপূর্ণ Adsense Guideline পড়ে নিয়ে সবকিছু সঠিকভাবে অনুসরণ করতেই হবে। Google Adsense এর Guideline অনুসরণ না করে কোন কিছু করলে আপনার আয় বৃদ্ধির হওয়ার পরিবর্তে যে কোন সময় আপনার Google Adsense একাউন্ট ব্যান হতে পারেন। নিচে আমরা Google Adsense এর প্রধান কয়েকটি বর্জনীয় বিষয় তুলে ধরলাম।

নিজের ব্লগের বিজ্ঞাপনে ক্লিক না করা।

Paid Traffic বা Clicking ব্যবহার না করা।

অন্যকে বিজ্ঞাপনে ক্লিক করতে উৎসাহিত না করা।

IP Address পরিবর্তন করে বিজ্ঞাপনে ক্লিক না করা।

ব্লগে Adult Content এবং Alcohol জাতীয় কোন কিছু শেয়ার না করা।

কনটেন্ট নেই এমন কোন জায়গায় বিজ্ঞাপন কোড না বসানো।

ভাষা সাপোর্ট করে না এমন ব্লগে বিজ্ঞাপন না বসানো।

 ০২. Responsive AdSense Units ব্যবহার করাঃ

বর্তমান সময়ে Google Adsense আয় বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে Responsive AdSense Units সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আপনি জরিপ করলে বিষয়টি দেখতে পাবেন যে, প্রতিদিন গড়ে মোট ভিজিটরের ৫০% এরও বেশীলোক আপনার ব্লগে কম্পিউটার ব্যতীত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস, যেমন-মোবাইল, স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট থেকে ভিজিট করছে। এ ক্ষেত্রে আপনার ব্লগটি যদি Responsive না হয় এবং Responsive AdSense Units ব্যবহার না করেন তাহলে ভিজিটরদের ৫০% এর বেশী লোক বিজ্ঞাপন দেখা থেকে বিরত থাকছে অর্থাৎ মানে দাড়াচ্ছে আপনি ঐ ৫০% ভিজিটররে কাছ থেকে কোন লাভ অর্জন করতে পারছেন না। কাজেই ব্লগের আয় বৃদ্ধি করার জন্য অবশ্যই ব্লগেকে Responsive ডিজাইন করে নেবেন।

 ০৩. সঠিক জায়গায় বিজ্ঞাপন কোড বসানঃ

Google Adsense বিজ্ঞাপনের কোডগুলি এমন জায়গায় বসাবেন যাতে করে ভিজিটররা খুবই সহজে দেখতে পায়। এটি আপনার ব্লগের বিজ্ঞাপনে ক্লিক হওয়ার অধিক সম্ভাবনা তৈরি করবে। Google Adsense সবসময় কনটেন্ট Related বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে, কাজেই যখন পাঠক সহজে বিজ্ঞাপন দেখতে পাবে তখন ঐ জিনিসটা তার প্রয়োজন পড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে সে তার প্রয়োজনে অবশ্যই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে। তবে ব্লগের কনটেন্ট Area এর ভীতরে অধিক পরিমানে বিজ্ঞাপন বসানো থেকে বিরত থাকবেন।

 ০৪. নিয়মিত কনটেন্ট পাবলিশ করাঃ

কনটেন্ট হচ্ছে একটি ব্লগের ট্রাফিক এবং আয় বৃদ্ধি করার প্রধান ও একমাত্র মাধ্যম। আপনার ব্লগে যদি প্রচুর পরিমানে নিত্য নতুন ইউনিক ভিজিটর পেতে চান তাহলে অবশ্যই নিয়মিত নতুন নতুন আর্টিকেল পোষ্ট করুন। আপনি যখন SEO অনুসরণ করে ব্লগে ভালমানের কনটেন্ট শেয়ার করবেন তখন ভিজিটর ও আয় দুটিই বাড়তে থাকবে। তবে একটা জিনিস মনে রাখবেন বেশী কনটেন্ট শেয়ার করতে গিয়ে কখন কারও কপি করা কনটেন্ট শেয়ার করবেন না। এতেকরে আয় বৃদ্ধি হওয়ার পরিবর্তে Adsense একাউন্ট হারাতে পারেন।

 ০৫. ব্লগের Load Time বৃদ্ধি করাঃ

এটা নিশ্চিত যে, একটি দ্রুত গতীর ব্লগ ভিজিটর এবং বিজ্ঞাপন ক্লিক দুটিই বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে। আপনার ব্লগটি যদি খুব ধীর গতির হয় তাহলে কোনভাবেই ভিজিটর এবং Page View পাবেন না। কারণ ব্লগ যদি Load নিতে বেশী সময় নেয় তাহলে ভিজিটররা বিরক্ত বোধ করবে এবং আপনার ব্লগ থেকে বেরিয়ে যাবে। অধীকন্তু বাংলাদেশের ইন্টারনেট স্পীডের যা অবস্থা তাতে করে বুঝতেই পারছেন যে, ব্লগ স্লো গতির হলে কি হবে।

 ০৬. অন্য বিজ্ঞাপন Remove করাঃ

Google Adsense বিজ্ঞাপন হতে আয় বৃদ্ধি করতে চাইলে অবশ্যই Adsense থেকে কম গুরুত্ব বহন করে এমন সকল বিজ্ঞাপন Remove করুন। তাহলে আপনার ব্লগের Load Time অনেকাংশেই বৃদ্ধি পাবে। অধিকন্তু Google Adsense তাদের বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি অন্য ধরনের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে পছন্দ করে না। Google Adsense এর জন্য আবেদন করার পূর্বে আপনি যদি অন্য কোন ধরনের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করেন তাহলে অবশ্যই সেটি Remove করবেন। তা না হলে কোনভাবে Adsense টিম আপনার আবেদন অনুমোদন করবে না।

 ০৭. Adsense Referrers ব্যবহার করাঃ

আপনার Google Adsense একাউন্টটিকে Google Analytics Account এর সাথে যুক্ত করে রাখলে খুব সহজে প্রতিদিনকার আয়ের পরিমান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। তাছাড়া কোন কোন সাইটের মাধ্যমে, কিভাবে, কি পরিমানে আয় হচ্ছে তাও জানতে পারবেন। যেমন-আপনি ফেইসবুকে বা এ ধরনের আরও বিভিন্ন সাইটে ব্লগের লিংক প্রমোট করার মাধ্যমে কি পরিমান আয় করেন তার বিস্তারিতও শো করবে। এতেকরে আপনি সহজে বুঝতে পারবেন যে, আপনার ব্লগের আয় বাড়ানোর জন্য কি করা উচিত।

 ০৮. Google Products Monitization ব্যবহারঃ

Google Adsense থেকে বাড়তী কিছু আয় করার জন্য Google Products Monitization অপশনগুলি ব্যবহার অর্থাৎ গুগলের অন্যান্য বিভিন্ন প্রোডাক্টসগুলিতে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করাতে পারেন। নিম্নে আমি এ রকম গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রোডাক্টস তুলে ধরছি -

Youtube Monitization: আপনার Youtbe Channel এ যদি ভালমানের ভিডিও থাকে তাহলে Youtube Partner হওয়ার মাধ্যমে ভিডিও গুলিতে Adsense ব্যবহার করে সহজে আয়ের উৎস বৃদ্ধি করতে পারেন। উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি সময়ে অনলাইন থেকে টাকা উপার্জন করার মাধ্যম গুলির মধ্যে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো YouTube এ ভিডিও Monitized করা।

RSS Feed এ Adsense ব্যবহারঃ আপনি যদি FeedBurner ব্যবহার করে থাকেন কিংবা অনেক Subscriber থাকে তাহলে RSS Feed এর সাথে Adsense Account যুক্ত করে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমেও আয় বৃদ্ধি করতে পারবেন।

Google Custom Search: আমাদের ব্লগে প্রায় সবাই গুগল কাষ্টম সার্চ বক্স ব্যবহার করে থাকি। আপনি হয়ত জানেন না যে, এই Google Custom Search Box এর সাথেও Adsense Account যুক্ত করে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করানো যায়। কেউ যখন আপনার ব্লগের Google Custom Search ব্যবহার করে কিছু খোঁজবে তখন সার্চ রেজাল্টের উপরে ও ডানে কিছু বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করবে। এ বিজ্ঞাপন আয় বৃদ্ধিতেও ভূমিকা পালন করবে।

 ০৯. Standard ad Sizes ব্যবহারঃ

বিজ্ঞাপনের সাইজবেধে আলাদা আলাদা Click Rate ও Demand রয়েছে। উপযুক্ত সাইজের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করলে আয়ের পরিমান বৃদ্ধি পাবে। যেমন ধরুন-790×90, 728×90, 336×280, 300×250, 300×600 ও 468×60 সাইজের বিজ্ঞাপনগুলির মূল্য অন্যান্য গুলির চাইতে অনেক বেশী। পাশাপশি খেয়াল করবেন বিজ্ঞাপন যাতে Image ও Text দুই ধরনেরই হয়।

 ১০. High Paying Ads ‍ও Keywords:

আমি আগেও বলেছি Adsense সবসময় পোষ্টের সাথে Related বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে। যেমন-আপনি যদি Cricket খেলা সম্পর্কিত কোন পোষ্ট লিখেন, তাহলে ঐ পোষ্টে বেশীরভাগ ক্ষেত্রে Cricket খেলার বিজ্ঞাপন শো করবে। তেমনি আমেরিকার কোন বিষয় নিয়ে পোষ্ট করলে পোষ্টটিতে ঐ দেশের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করবে। এ ক্ষেত্রে আপনি Keyword Tool ব্যবহার করে High Label এর Keywords ব্যবহার করে ভালমানের পোষ্ট শেয়ার করতে পারেন। তাহলে Adsense আপনার ব্লগে ভালমানের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করবে। এতে আপনার ব্লগের আয় দ্বিগুনের চাইতেও বেশী হবে। তাছাড়া Adsense বিজ্ঞাপনের Rate উন্নত দেশগুলিতে বেশী হয়ে থাকে। কাজেই আপনি যদি USA, UK, Indonesia, Australia এর ভিজিটরদের টার্গেট করতে পারেন তাহলে অল্প ভিজিটর দিয়েও সহজে ভালমানের টাকা উপার্জন করতে সক্ষম হবেন।

সর্বশেষঃ Google Adsense থেকে আয় বৃদ্ধি করার জন্য আমরা পোষ্টটিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিপসগুলি তুলে ধরেছি। আমি যে কোন ব্লগারকে চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি কেউ যদি উপরের এই ১০ টি টিপস পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করতে পারেন তাহলে তার ব্লগে Google Adsense ব্যবহার করে নিঃসন্দেহে ভালমানের টাকা (Smart Amount) উপার্জন করতে পারবেন।

Read More

ডার্ক/ডীপ ওয়েব কি ? কেন কোন দেশের সরকার তা বন্ধ করে না ?

  Muhammad Foyzullah     রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮     Tech News      No comments   
আসসালামু আলাইকুম,

ডার্ক/ডীপ ওয়েব এই সম্পর্কে এখন আমরা সকলেই জানি। সেটা হল সব বড় বড় ক্রিমিনালদের আড্ডাখানা। এবং হল ক্রাইমের স্বর্গরাজ্য। এমন কোন খারাপ বা অবৈধ কাজ নেই যা সেখানে হয় না। সেই দুনিয়া সম্পর্কে সাধারণ মানুষ পুরটাই অজ্ঞ এবং তাদের কল্পনারও বাইরে।

অনেকেরই মনে প্রশ্ন রয়েছে, যেহেতু ডার্ক/ডীপ ওয়েবে বেশীরভাগই অবৈধ কর্মকাণ্ড করা হয়, সবরকম ক্রিমিনাল এক্টিভিটি চলে। সব দেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এবং সরকারও সেই ব্যাপারে জানে তাহলে কেন ডার্ক/ডীপ ওয়েব বন্ধ করা হচ্ছে না?

ইন্টারনেট এর চারটি স্টেজ রয়েছে,

সার্ফেস ওয়েব

ডীপ ওয়েব

ডার্ক ওয়েব

এবং মারিয়ানা ওয়েব।

আমরা রেগুলার যে সার্ফেস ওয়েব ব্যবহার করি তার থেকে ডার্ক/ডীপ ওয়েব অনেক বড়। এটা এতটাই বড় যে এর এর সঠিক সাইজও কারো জানা নেই। ২০০৩সালে হিসেব করা হয়েছিল যে ডার্ক/ডীপ ওয়েবে প্রায় ৫০০বিলিয়ন পেইজ রয়েছে। এখন ২০১৮সাল সেই হিসেবের ১৫বছর হয়ে গেছে, এবং টেকনোলজি তে এখন আমরা অনেক এগিয়েছি, আর সেই হিসেবে ইন্টারনেটের সবচেয়ে বড় যে দুনিয়া সেটা কতটা এগিয়েছে, কতটা বড় হয়েছে, সেটা আপনি ভেবে দেখুন।

আসলে সব দেশের সকল গোপনীয় কর্মকাণ্ড ডার্ক/ডীপ ওয়েবে চলে। সকল দেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট তথ্য সেখানেই রয়েছে। সব দেশের সরকার এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত আনাগোনা রয়েছে সেখানে। অনেক দেশ নিজেদের সেফ রাখতে, এবং অনেক দেশের ইন্টারনেট আইন বেশ কঠিন, তাই এক দেশ হতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সম্পর্কে জানা এবং রিসার্চ করার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে এই থেকে ডার্ক/ডীপ ওয়েব।



আমাদেরকে শুধু ডার্ক/ডীপ ওয়েবের অন্ধকার দিকগুলোই এবং সকল খারাপ খবর এবং তথ্য গুলোই দেখানো হয়। তাই অনেকেই মনে করেন যে ডার্ক/ডীপ ওয়েব মানেই খারাপ। আসলে সব কিছুরই ভালো মন্দ রয়েছে, আপনি ভালোটা বেছে নিবেন, নাকি খারাপটা সেটা সম্পূর্ণ আপনার ব্যাপার। যারা ডার্ক/ডীপ ওয়েবের সাথে শুরু থেকে জড়িত শুধুমাত্র তারাই জানে এই দুনিয়া সম্পর্কে।

*তবে এখানে ভালো থেকে খারাপের পরিমাণটাই বেশি।

কোন দেশের গভারমেন্টই ডার্ক/ডীপ ওয়েবে বন্ধ করতে চায় না, কারন দেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সেখানে রয়েছে, যা সাধারণ কারো খুঁজে বের করা অনেক কষ্টসাধ্য। এবং বিশ্বের অনেক প্রভাবশালী নেতা/ব্যবসায়ী/ব্যক্তি রয়েছেন যারা চান না যে ডার্ক/ডীপ ওয়েব বন্ধ হোক। আর ডার্ক/ডীপ ওয়েবের সাইজ এতটাই বড় যে তা পুরোটা বন্ধ করা এক প্রকার অসম্ভব, এবং অনেক বেশি সময়ের ব্যাপার।
Read More

বিশ্বের সবচাইতে ব্যয়বহুল ১০ টি ডোমেইন নেম!!

  Unknown     রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮     Tech News      No comments   
এই সারসংক্ষেপটি পাওয়া যাবে না। পোস্ট দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন ।
Read More

লেবেল

  • Online Earn (2)
  • SEO Tools (1)
  • Tech News (3)
  • Website Learn (1)

আপত্তিজনক অভিযোগ করুন

  • Popular
  • Comments
  • Archive
কপিরাইট © Techs.CF™ , অল রাইটস রিসার্ভড